Logo
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

নারী শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সরকার—–প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার / ২৯ বার
আপডেট রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

কালের কাগজ ডেস্ক ::০৯ ডিসেম্বর ,রবিবার । ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই নারী শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সরকার। রোকেয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে নিজেদের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে এদেশের নারীসমাজ জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা রাখবে।

রোববার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোকেয়া দিবস উপলক্ষে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর এদিন সারাদেশে সরকারিভাবে রোকেয়া দিবস পালন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্তানের পরিচয়ে মায়ের নাম আমরাই প্রথম অন্তর্ভুক্ত করেছি। মা জন্ম দেন। মা-ই বোঝেন সন্তান জন্ম দেওয়ার কষ্ট। নারীরা অনেক কষ্টসহিষ্ণু। পুরুষদের গড় আয়ু বর্তমানে ৭১, নারীর ৭৩, গড় ৭২। এ থেকেও স্পষ্ট হয় নারী বেশি কষ্টসহিষ্ণু।

তিনি বলেন, নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নিয়েছে আমাদের উপমহাদেশের নারীরাই। আমরাই প্রথম প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়েও নারীদের অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মেয়েদের সব ক্ষেত্রে সুযোগ দিতে হবে। তারা যেন আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। তাহলে পরিবারেও তাদের গুরুত্ব বাড়বে। মেয়েদের অধিকার আদায় করতে নিতে হবে। পাশাপাশি তাদের মধ্যে পরিমিবোধও বাড়াতে হবে। অধিকার আদায় করতে গিয়ে পারিবারিক ঝামেলা যেন না সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, আজ কিন্তু আরও একজন নারীর জন্মদিন, তিনি আর কেউ নন, তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তাকেও আমরা আজকের এই দিনে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি জাতিসংঘের অটিজম-সংক্রান্ত কমিটির বারবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। যাদেরকে এতদিন আমরা অনাদরে-অবহেলার চোখে দেখতাম। সেই অটিস্টিক শিশু ও প্রতিবন্ধীদের নিয়ে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন সারাবিশ্বে। এটা আমাদের জন্য অনেক অনেক গর্বের বিষয়। আমরা তার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

সভাপতির বক্তব্য দেয়া শেষ হলে বক্তব্য দেয়া শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বক্তব্যের শেষে মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের জন্য দোয়া কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, যাবার আগে দোয়া নিয়ে যাই। আজ কিন্তু আমার মেয়ে সায়মা হোসেনের জন্মদিন। আমি আপনাদের কাছে সায়মার জন্য দোয়া চাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে মোট পাঁচজন নারীকে রোকেয়া পদকে ভূষিত করা হয়। এবার যারা রোকেয়া পদকে ভূষিত হয়েছেন তারা হলেন সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জিন্নাতুনন্নেসা তালুকদার, প্রফেসর জোগরা আনিস, শীলা রায়, রমা চৌধুরী (মরণোত্তর) ও রোকেয়া বেগম। পদকপ্রাপ্তদের প্রত্যেকের হাতে ২৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, একটি সার্টিফিকেট ও দুই লাখ করে টাকা তুলে দেয়া হয়।

পদকপ্রাপ্ত জিন্নাতুনন্নেসা তালুকদার অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। তিনি তার পদককে বাংলাদেশের নারী সমাজকে উৎসর্গ করেন।

কালের কাগজ/প্রতিবেদক/জা.উ.ভি

 

 

 


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com