Logo
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

নৌকা মানেই উন্নয়ন, নৌকা মানেই স্বাধীনতা—– মানিকগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার / ৩৫ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৩ ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার ।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নৌকা মানেই উন্নয়ন, নৌকা মানেই স্বাধীনতা,নৌকা মার্কা মানেই বাংলাভাষায় কথা বলা, নৌকা মানেই মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতা আসা মানেই বাংলাদেশের উন্নয়ন। এই নৌকা দিয়েছে স্বাধীনতা, নৌকা মানেই মানুষের জীবন মানউন্নয়ন, তাই নৌকা মার্কায় আপনাদের কাছে ভোট চাই। আপনারা আগামী নির্বাচনে দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রায় দিন। নৌকাকে ভোট দিয়ে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিন। আমরা আর অন্ধকারের দিকে পিছিয়ে যেতে চাই না। আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের একটি রোল মডেল হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে। এজন্য আগামীতে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার আহবান জানান প্রধান মন্ত্রী। বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জ ও পাটুরিয়া ঘাটে নির্বাচনী পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীনের সভাপতিত্বে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ ৩ আসনের মহাজোটের প্রার্থী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন, মানিকগঞ্জ ২ আসনের মহাজোটের প্রার্থী মমতাজ বেগম, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক, বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমেদ হোসেন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী , জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আব্দুল মজিদ ফটো, সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আফম সুলতানুল আজম খান আপেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব সাহা, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মী চ্যাটার্জি প্রমূখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, এ মাস বিজয়ের মাস। এই মাসে স্বাধীনতা বিরুদ্ধীদের আর ভোট নয় । মানিকগঞ্জের হাজারো মানিক থেকে কুড়িয়ে মাত্র তিনটি মানিককে নিয়ে নৌকা প্রতীত দিয়েছি। তারা তিনজনই তারকা।ত াদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহবান জানান তিনি।
মানিকগঞ্জের উন্নয়ন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই জেলা এক সময় ছিল উন্নত ছিল না । আজ জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। গ্রামে গ্রামে পৌছে গেছে ডিজিটালের ছোয়া। এই জেলার উন্নয়ন ধারাকে অব্যাহত রাখতে আগামীতে নৌকা প্রতীক ভোট দেওয়ার আহবান জানান। নৌকা প্রতীকে তিনি উন্নয়নের প্রতীকের বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই নৌকা নুহ নবীর আমলে মানুষকে বাঁচিয়েছে। আর এই নৌকা এখন বাংলার মানুষের উন্নয়ন উপহার দিচ্ছেন যাচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রী ২০০৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশের উন্নয়নের চিত্রও তুলে ধরেন। তিনি দেশের ভাগ্য উন্নয়ন করতে ২১০০ সাল পর্যন্ত মহা পরিকল্পনা করেছেন বলে জানান।
প্র্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরো বলেন, প্রতিটি উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে আমরা কমিউনিটি কিনিক করেছি। সেখানে বিনা মুল্যের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে ২১ প্রকার ওষুধ । তাও বিনামূল্যে।
প্রধানমন্ত্রী পথ সভায় উপস্থিত হওয়ার আগে মানিকগঞ্জ বাস টার্মিনাল চত্বর মানুষ কানায় কানায় পরিপূর্ন হয়ে পরে। প্রধান মন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ার আগে মানিকগঞ্জ-২ আসনের এমপি কন্ঠ শিল্পী মমতাজ বেগম গানে গানে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন্। পর পর বক্তব্য রাখেন মানিকগঞ্জ-৩ আসনের এমপি প্রার্থী জাহিদ মালেক স্বপন। প্রধানমন্ত্রী তার ১৬ মিনিটের বক্তব্যে আরো বলেন, মানিকগঞ্জকে উন্নয়নে ঢেলে সাজানো হবে। তিনি এই পথ সভায় একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন অঞ্চল গড়ে তোলা হবে বলে জানান।
এর আগে বিকাল ৩টা ৩৫ মিটিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়াঘাট ট্রাক টারমিনালে আরেকটি পথ সভায় বক্তব্য রাখেন। এসময় মানিকগঞ্জ-১ আসনের এমপি এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয়কে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করারও আহবান জানান।
পাটুরিয়ার পথ সভায় প্রধানমন্ত্রী এই এলাকায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল , একটি ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মানের প্রতিশ্রতি দেন। তিনি বলেন আগামীতে মতায় আসলে এই এলাকায় একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানেরও ঘোষনা দেন।
ভোটারদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা আলোর পথে এগিয়ে যেতে চাই। সেজন্য দরকার আপনাদের (ভোটার) সমর্থন। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যদি আর একবার আমাদের সেবা করার সুযোগ দেন তাহলে আমরা তা করতে পারবো।
পথ সভায় শেখ হাসিনা আরো বলেন, আমরা যখন সরকারে এসেছি তখনই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাবে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবো। ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করবো। তিনি বলেন, আমাদের তরুণ সমাজকে দেশ গড়ার কাজে লাগাতে চাই। তরুণ সমাজের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আজ বাংলাদেশে খাদ্যের অভাব নেই।

কালের কাগজ/প্রতিবেদক/জা.উ.ভি


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com