Logo
ব্রেকিং :
নাগরপুরে খেজুর রস আহরণে ব্যস্ত গাছিরা টাঙ্গাইলে আশ্রয়ণের ঘরে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, দিশেহারা ৪০ পরিবার ধানের বাজারমূল্যে খুশি কৃষক, পরিবারে উৎসব জ্বলছে আগুন পুড়ছে কাঠ, ইটের ভাটায় সর্বনাশ নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মহিলা পরিষদের সংবাদ সম্মেলন নেত্রকোনায় ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল নাগরপুরে আওয়ামীলীগ নেতা হিমু’র উদ্যোগে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার ব‍্যবস্থা গোয়ালন্দ উপজেলা কৃষকলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত  উন্নয়নের জন্য নৌকায় ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নদী ভাঙ্গন রোধে দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে পাশ হলে কাজ শুরু হবে– -দূর্জয়
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট নিরসনে কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুটিও প্রস্তুত

রিপোর্টার / ২১ বার
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৯

কালের কাগজ ডেস্ক:১৭ জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার ।

বর্তমান সরকারের উন্নয়নের পালকে নতুন করে যুক্ত হতে যাচ্ছে প্রায় ১ হাজার ২১৫ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতু। নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটির সংযোগ সড়কের তৈরির কাজও গত সপ্তাহে শেষ হয়েছে ইতোমধ্যে। উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা সেতুটি ধরে যেকোনো দিন থেকেই যানবাহন চলচল শুরু করবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথের (সওজ) প্রধান প্রকৌশল বিভাগ।

ঢাকার সাথে সিলেট ও চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ সহজে মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরের এ অংশে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর ১৯৭৭ সালে প্রথম সেতুটি নির্মাণ করা হয়। তখন থেকেই সেটা কাঁচপুর ব্রীজ বা সেতু নামে দেশব্যাপী পরিচিত।

প্রায় ৪০ বছরেরও বেশি বয়সী কাঁচপুর প্রথম সেতুটিতে উদ্বোধনের পর থেকেই সড়কটি ধরে চট্টগ্রাম ও সিলেটমুখী সব ধরনের যানবাহনের ভিড় বাড়ে অপ্রত্যাশীতভাবে। তবে এতে আশেপাশের এলাকার স্থানীয় জনগণের যাতায়াতও বহুগুণ সুবিধা সৃষ্টি করে দেয়। কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুর প্রকল্প সূত্রে জানাগেছে, কাঁচপুরের প্রথম সেতুটি পুরোনো হয়ে গেছে। তারপর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এ সেতুটি ধরে প্রতিনিয়তই ভাড় বহনের ক্ষমতারও অতিরিক্ত ওজনবাহী যানবাহন চলাচল করছে বহু বছর ধরে।

বিষয়টির সমাধানে টানা তিন মেয়াদের বর্তমান সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় জাপানী উন্নয়ন সংস্থা জাইকার অর্থায়নে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাঁচপুর দ্বিতীয় সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এ প্রকল্পের অধীনে মেঘনা দ্বিতীয় সেতু ও মেঘনা গোমতী দ্বিতীয় সেতুর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে বলে ওই সূত্র জাননিয়েছেন। উদ্বোধন না হওয়ার কারণে সেতুর দুই পাশ আটকে রাখা হয়েছে।

কংক্রিটের ঢালাই ও পাঁচটি স্টিরের ব্রডারের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে এই সেতুটি। ১০০ বছরের স্থায়ীত্ব নির্ধারণ করে নির্মাণ করা সেতুটির প্রধান ঠিকাদার যৌথভাবে জাপানি চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান—ওবায়শি করপোরেশন, শিমিজু করপোরেশন, জেএফআই ও আইএইচআই।

মূল সেতু ও সংযোগ সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয় ১ হাজার ২১৫ কোটি টাকা। মোট ব্যয়ের ৭৫ ভাগের জোগান দেয় জাইকা। আর ২৫ ভাগ অর্থ ব্যয় হয় বাংলাদেশ সরকারের। নতুন এই সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৯৭ দশমিক ৫ মিটার। প্রস্থ ১৮ দশমিক ৩ মিটার। সেতুটি চার লেনের।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com