Logo
ব্রেকিং :
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন নাগরপুরে সহবতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে পরকিয়ার জেরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে বিশেষ সংকেতে চলে ঘুষ বানিজ্য টাঙ্গাইল পৌর ভবনের সামনে স্থাপিত জাতির জনকের ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলার এক বছরেও তা প্রতিস্থাপন হয়নি মির্জাপুরে ফাঁড়ির হাজতখানায় আটক ব্যক্তির মৃত্যু টাঙ্গাইলে ২৪ জাতের কুকুরের খামার, আমদানির চেয়ে ৫০ ভাগ সাশ্রয় মানিকগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের কোপের শিকার যুবক সৈয়দপুরে বেশি দামে চিনি বিক্রি করায়   দুই দোকানে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ঘিওরে ব্র্যাকের উদ্যোগে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
নোটিসঃ
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : আলহাজ্ব এ.এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ,সম্পাদক ও প্রকাশক মো: জালাল উদ্দিন ভিকু,সহ-মফস্বল সম্পাদক মো: জাহিদ হাসান হৃদয়

পৃষ্ঠপোষকতা’র অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে টাঙ্গাইলের মৃৃৎশিল্প

রিপোর্টার / ১৫ বার
আপডেট সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

মুক্তার হাসান, টাঙ্গাইল থেকে ঃ ১৮ ফেব্রুয়ারী,সোমবার।
পৃষ্ঠপোষকতা’র অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছে টাঙ্গাইলের মৃৎ শিল্প। সেই সাথে মানবেতর জীবন যাপন করছে টাঙ্গাইলের প্রতিভাবান মৃৎ শিল্পীরা।
মৃৎশিল্পীরা ভালোবাসা ও মমতা দিয়ে নিপুন হাতে কারু কাজের মাধ্যমে মাটি দিয়ে তৈরি করে থাকেন নানা তৈজসপত্র। কিন্তু কালের বিবর্তনে তাদের ভালোবাসার জীবিকা ফিকে হতে বসেছে। এক সময় মাটির তৈরি তৈজসপত্রের প্রচুর ব্যবহার ছিল । এখন সেই তৈজসত্রের স্থান দখল করে নিয়েছে এ্যালুমিনিয়াম, প্লাস্টিকের ও মেলামাইনের তৈরি তৈজসপত্র। এসবের দাম বেশি হলেও অধিক টেকসই। তাই টাকা বেশি হলেও এ্যালুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের তৈরি তৈজসপত্রই কিনে থাকে সাধারণ মানুষেরা। কাঁচ,প্লাস্টিক আর মেলামাইনের ভিড়ে এখন মাটির তৈরি ঐ জিনিসপত্র গুলো প্রতিযোগীতায় টিকেই থাকতে পাড়ছে না।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাসাখানপুর এ ৩০টি পরিবার, সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইনিয়নের গমজানীতে ২০ টি পরিবার এবং ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা কুমার পাড়ায় ২০০ টি কুমার পরিবার বসবাস করছে।তারা দিন রাত একাকার করে মাটি দিয়ে তৈরি করছে বিভিন্ন মৃৎ-পণ্য। বর্তমানে গ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন উৎসব, মেলা ছাড়া অন্য কোথাও মৃৎ শিল্পের গ্রাহক নেই বললেই চলে। তাই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে আজ বিলুপ্তির মুখে পড়েছে টাঙ্গাইলের মৃৎ শিল্প।
কথা হয় বাসাখানপুরের কৃতিশপাল, গোমজানীর ছানা চন্দ্র পাল, চৈতি পাল সহ আরো বেশ কয়েক জনের সাথে তারা বলেন,বর্তমানে এলুমিনিয়াম ও প্লাস্টিকের কারনে মাটির তৈরী জিনিস পত্র চলে না। ফলে আমাদের জীবন ধারন কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তবুও দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জন্য আমরা এই কাজ করে যাচ্ছি। সরকার যদি সুদ মুক্ত ঋনের ব্যবস্থা করতো তা হলে বাপ-দাদার এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারতাম। পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে পারতাম।
এ প্রসঙ্গে সহকারী মহা ব্যবস্থাপক, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন, বিসিক টাঙ্গাইল শাহনাজ বেগম বলেন, আমরা বিসিক থেকে সরকারী পৃষ্টপোষকতায় বিভিন্ন কারিগরী ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে থাকি।বাজারজাত করনে যে অসুবিধা আছে আমাদের কাছে আসলে সঠিক দিক নির্দেশনা ও দক্ষ কারিগর তৈরী করতে বিসিক থেকে সহযোগিতা দেওয়া হবে।
কালের কাগজ/প্রতিনিধি/জা.উ.ভি


এ জাতীয় আরো খবর
ThemeCreated By ThemesDealer.Com